রাজশাহী প্রতিনিধি:
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিউল আহ্সান হিমেল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মতিন, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ওয়াসীম রেজা টিংকু, কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ এ কে এম তরিকুল ইসলাম মাসুম, মোঃ মিঠু শেখ ও আব্দুস সালাম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন।
এ ছাড়া জাসাস কাশিয়াডাঙ্গা থানা সভাপতি মোঃ হাশিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন, জিয়া মঞ্চ কাশিয়াডাঙ্গা থানা সভাপতি মোঃ জাকাউল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে বিএনপি নেতা জনি, মাহবুবুর রহমান নিহাল, আয়নাল হক, শিশির, মাসুম, আবির, মহিলা নেত্রী মনোয়ারা বেগম, যুবনেতা মুন্না, নবীন, মিঠু, কাবিল ও ইতুসহ ছাত্রনেতা শিমুল, মাহিম ও হৃদয় অংশ নেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, মশার প্রজননস্থল পরিষ্কারসহ বিভিন্ন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করতে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
লিফলেটে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া, জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন বা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম যথেষ্ট নয়; এ জন্য নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতা জরুরি। সম্মিলিতভাবে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা, লার্ভিসাইড, ফগার স্প্রে ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
