লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের দিলশাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকার বেত্রাঘাতে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার শ্রেণিকক্ষে পড়া না পারায় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাওফিকা হাসনাতকে ডিস লাইনের তার দিয়ে তৈরি বেত দিয়ে মারধর করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তার।
অভিযোগে বলা হয়, তিন পৃষ্ঠার পড়ার মধ্যে দুই পৃষ্ঠা পড়তে না পারায় শিক্ষার্থী তাওফিকার হাতে ওই বেত দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার হাতে গুরুতর ব্যথা ও আঘাতের সৃষ্টি হয়। পরে সহপাঠীরা তার হাতে পানি ঢেলে ব্যথা কমানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শ্রেণিকক্ষেই অসুস্থ হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীটি। এ সময় সহকারী শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষ থেকে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শিক্ষার্থীর মা বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবহিত করেন। পরে আজ সোমবার দুপুরে আহত শিক্ষার্থী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
এদিকে, অভিযোগে সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন একই বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকার সুবাদে প্রভাব বিস্তারেরও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া তিনি প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
তবে শিক্ষিকার মানসিক সমস্যা রয়েছে এমন দাবির কোনো স্বাধীন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে দিলশাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী শিক্ষিকা মুন্নি আক্তারের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সালা উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি সত্য। তবে সহকারী শিক্ষিকার এভাবে বেত্রাঘাত করা ঠিক হয়নি।
