
বাগমারা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত”বিয়ে করে চাঁদা না দেওয়ায় শিক্ষক দম্পত্তিকে মার ধরের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। উক্ত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি আমাকে সহ কয়েকজনকে জড়িয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি মোঃ শফিউল আলম শিবলী উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এছাড়াও বলা হয়েছে শিক্ষক দম্পতিকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে যা পুরোটাই বানোয়াট, ভিক্তিহীন ও মিথ্যা। সুতরাং তাদেরকে কোনভাবেই হুমকি ধামকি দেওয়া হয়নি। আসল কাহিনী হচ্ছে বাগমারা উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়ীগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাসানুজ্জামান ও শিক্ষিকা শারমিন সুলতানা তারা দুইজনেই বিবাহিত এবং তাদের সন্তানদি রয়েছে। একই প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুবাদে তারা পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে এবং তারা প্রতিষ্ঠানে এসেও পরকিয়া করে। এগুলো প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রীদের ও অবিভাবকের নজরে আসে। তখন তারা তাদের এই পরকিয়া ঢাকার জন্য মিথ্যা অপপ্রচার ও অভিযোগ এনে আমাকে সহ কয়েকজন অভিভাবকদের নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিক্তহীন অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর করে। সুতরাং এই নির্লজ্জ শিক্ষকেরা তাদের অপকর্ম আড়াল করতে স্থানীয় সাংবাদিক দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ভিক্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তাই আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই,ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা-বানোয়াট ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই।
আমি সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যমকে অনুরোধ করছি, বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সংবাদ প্রচার না করার জন্য এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার জন্য। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা হোক। এবং সেই সাথে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ করছে।