
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকার খেলোয়ারদের কথা চিন্তা করে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়ারদের সম্মানী ভাতা এর আওতায় নিয়েছেন। সেইসাথে চতুর্থ শ্রেণি হতে খেলা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যারা এই সকল ইভেন্টে ভাল করবে তাদের সরকারী ভাবে সম্মানী ভাতা এর আওতায় নিয়ে আসবে সরকার। এটা বিএনপির চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১দফার মধ্যে রয়েছে। সোমবার রাত ১১টার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার আফি নেপালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আফি নেপালপাড়া অগ্রদুত সংঘের আয়োজনে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ডে-নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টে চুড়ান্ত পর্বের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।
এমপি আরো বলেন, অত্র এলকার উন্নয়ন বিএনপি আমলে হয়েছে। যে স্কুল মাঠে খেলা হচ্ছে, এই স্কুলের ভবন বিএনপির আমলে হয়েচে। হয়েছে রাস্তা ও ড্রেন। তিনি পবা-মোহনপুরের উন্নয়নের সবার সহযোগিতা কামনা করেন। সেইসাথে এই অঞ্চলের যেন সারা বছর খেলাধুলা চলতে পারে সেজন্য তিনি মাঠ সংস্কারসহ নানা পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, পবা-মোহনপুরবাসী বিপুর পরিমান ভোট দিয়ে তাঁকে নির্বাচিত করেছেন। জনগণ বিএনপির নিকট অনেক আমা প্রত্যাশা নিয়ে ৭৮ ভাগ তারা প্রদান করেছে। জনগণের প্রত্যাশা পুরনের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। এর প্রমাণ ইতোমধ্যে দেশবাসী জানতে এবং দেখতে পাচ্ছেন। তিনি কোন প্রকার প্রটোকল ছাড়া রাস্তায় চলেন। সকাল ৯টা থেকে রাত অবধি তিনি দেশের হয়ে কাজ করছেন। তিনি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা চাঙ্গা করতে ব্যায় সংকোচন করেছেন। এমপি-মন্ত্রীদের প্লট এবং টোল ফ্রি গাড়ী ক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন। সেইসাথে জনগণকে বাঁচাতে তিনি নানাবিধ উন্নয়নমূলক কাজ কওে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এমপি বলেন, রাজশাহী তথা উত্তারাঞ্চলকে মরুভূমির কবল থেকে রক্ষা করতে পদ্মাব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এতে কওে বরন্দ্রে অঞ্চলসহ উত্তারাঞ্চলের অনেক এলাকায় সার্বক্ষনিক ভূউপরোস্থ পানি পাওয়া যাবে। এতে করে কৃষিকাজে ব্যায় সংকোচ হবে। সেইসাথে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন কমে আসবে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, সরকারের এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আসছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা আহ্বান জানিয়ে ফাইনাল খেলার শুভ উদ্বোধন করেন। খেলা তিনি বিজয়ী ও রানার-আপদের মধ্যে পুরস্কার ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।
উদ্বোধনী ও পুুরস্কার বিরতণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল আবেদিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর পৌর বিএনপির সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ও পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক নির্বাহী সদস্য মাজদার হোসেন। এই টুর্নামেন্টের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ।
চুড়ান্ত পর্বের খেলায় লোকাল চ্যাম্পিয়ন এবং ইয়াং ফাইটার অংশগ্রহন করে। সময়ে মধ্যে কোন দলই গোল করতে না পাড়ায় ট্রাইবেকার গড়ায় খেলা। এতে ইয়াং ফাইটার, লোকাল চ্যাম্পিয়নকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। উল্লেখ্য এই টুর্নামেন্ট গত ৩০ মে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। টুর্নামেন্টে মোট ষোলটি দল অংশগ্রহন করে।