রাবি প্রতিনিধিঃ রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ গত ২৭ জুলাই ৩ শিক্ষার্থীকে ছাত্রলীগের ট্যাগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে মারপিট করে পুলিশে তুলে দেয়। ২২ দিন কারাবরণ শেষে মঙ্গলবার জামিনে মুক্ত হয়ে বুধবার (১৯ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদসম্মেলন করেছে ওই তিন শিক্ষার্থী। তিন জন শিক্ষার্থী হলেন আনাস আহমেদ, আবুল হাসান ও মাহমুদুল হাসান মাহিন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে মবসৃষ্টিকারী উল্লেখ করে বলেন, জুলাই আন্দোলনা তারা প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন। ছাত্রলীগের সাথে তারা কোন ভাবেই জড়িত নয়। তাদের মধ্যে আবুল হাসান রাবিতে ভর্তি হয়েছে ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনের পরে। মাহমুদুল হাসান মাহিন দাবি করেন, তিনি ২০২২ থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। এমন অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। অপর ছাত্র আবুল হাসান বলেন, ২৭ জুলাই আম্মারের নির্যাতনের শিকার হয়ে আমাদের তিনজনকে মারপিট করে আহত করে উল্টোর পুলিশে দেয়া হয়। এই ঘটনায় মাহমুদুল হাসান মাহিন বাবা মামলা করেন। ওই মামলায় যাদের স্বাক্ষী করা হয়েছে তারাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে আম্মাররা মামলা দিয়েছে। আম্মারদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি আরও বলেন, তারা যদি প্রমাণ করতে পারে আমি ছাত্রলীগ করেছি তবে তাদের কাছে মাফ চেয়ে রাবি ছেড়ে দিব।
সংবাদসম্মেলনা তারা আরও দাবি কনের, ওই ঘটনার পর সম্প্রতি সালাউদ্দিন আম্মাররা তাদের বিরুদ্ধে মারটিপিরে অভিযোগ এনে মামলা করেছে। অথচ আম্মার নিজে ভিডিও বার্তায় বলেছে আম্মারাই এই তিন শিক্ষার্থীকে পিটিয়েছে। নিজেদেরকে ভুক্তভোগী দাবি করে তিন শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে মবের সংস্কৃতি সৃষ্টি করা হয়েছে। তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীরা আরও জানান, আম্মারের সাথে থাকা এমন অনেকে আছে যাদেরকে পূর্বে ছাত্রলীগের সাথে দেখা গেছে।
