আনন্দ ও স্মৃতিচারণে মুখর রাজশাহী প্রেসক্লাবের মিলনমেলা

আনন্দ ও স্মৃতিচারণে মুখর রাজশাহী প্রেসক্লাবের মিলনমেলা


পাভেল ইসলাম মিমুল নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্রাতৃত্ব,স্মৃতিচারণ ও প্রাণবন্ত আড্ডায় উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী প্রেসক্লাব-এর উদ্যোগে বার্ষিক মিলনমেলা ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলার সকল উপজেলা ও মহানগরের সাংবাদিকরা অংশ নেন।

সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে সহকর্মীদের সরব উপস্থিতিতে মিলনমেলাটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন সাংবাদিক মিলনোৎসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. গাজিউর রহমান। তিনি বলেন,সাংবাদিক সমাজ রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন মিলনমেলা সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে।

মিলনমেলার শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধা ও আবেগের মধ্য দিয়ে রাজশাহী প্রেসক্লাবের প্রয়াত সাংবাদিকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

এ সময় বক্তারা তাঁদের অবদান স্মরণ করে বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বে গড়ে ওঠা তাঁদের কর্মজীবন নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী প্রেসক্লাব বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রেসক্লাব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও পেশাগত অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। ঐক্য ও সহমর্মিতার এই আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু, রাজশাহী এডিটর ফোরামের সভাপতি ও সোনালী সংবাদ-এর সম্পাদক লিয়াকত আলী, সোনার দেশ-এর সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, আমাদের রাজশাহী-এর সম্পাদক আফজাল হোসেন, রাজশাহী প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য আহাম্মেদ শোফি, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সর্দার শরিফুল ইসলাম, রাজশাহীর আলোর সম্পাদক আজিবার রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক ওয়ালিউর রহমান বাবু।

বক্তারা বলেন, এমন মিলনমেলা পেশাগত ব্যস্ততা ও চাপের বাইরে সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ায়, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চাকে আরও বেগবান করে। দিনব্যাপী আয়োজনজুড়ে সাংস্কৃতিক আড্ডা, হাসি-আনন্দ ও পারিবারিক পরিবেশ মিলনমেলাটিকে করে তোলে স্মরণীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *