সরকারি পাইকড় গাছ গিলে খাচ্ছেন স্কুল শিক্ষক গৌতম! 

0

তানোর (রাজশাহী)প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের শ্রীখন্ডা পালপাড়া গ্রামে খাস ডহরের সরকারি পাইকড় গাছ কেটে বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে শ্রীখন্ডা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গৌতম কুমার পালের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের শ্রীখন্ডা পালপাড়া মৌজার সরকারি রাস্তার পাশে ছায়া দানকারী ৫০ বছরের পুরাতন বটগাছ দিনের আলোতে প্রকাশ্যে নিধন করেছেন গৌতম কুমারের লোকজন। এমতাবস্থায় গত ২২ নভেম্বর মঙ্গলবার কামারগাঁ ইউনিয়ন ভুমি অফিসের নায়েব মো. কাউসার আলী খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক গৌতম কুমার পালকে গাছের ডাল ও গাছ কাটতে নিষেধ করেন।

এ বিষয়ে কামারগাঁ ইউনিয়ন ভূমির নায়েব মো. কাউসার আলী জানান, আমরা আজ সকাল ১১ টায় সরকারি জায়গাতে থাকা বড় বট বা পাইকড় গাছ কাটার সংবাদ পায়। তখনই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। অভিযুক্ত গৌতম কুমারের লোকজন গাছের ডাল কাটছিলো। আমি ডাল ও গাছ কাটতে নিষেধ করি এবং বলি কেনো গাছটি কাটছেন?

গৌতম কুমার বলেন, গাছটি তার নিজের জায়গাতে রয়েছে। সরকারি রাস্তার জায়গা বট বা পাইকড় গাছের পাশ থেকে আছে। নায়েব মো. কাউসার আলী অভিযুক্ত গৌতম কুমার পালকে তার কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে ও জমি মাপ যোগ করার কথা বলেন।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, গৌতম কুমার পালের বাড়ির পাশে সরকারি রাস্তা রয়েছে। যা সে নিজে ভোগদখল করে। অর্থবৃত্ত ব্যক্তি হওয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পান না। আমরা গ্রামের মাটি মাপ যোগ করে দেখেছি গাছটি সরকারি রাস্তার ভিতরে। গাছটি মানুষকে প্রখর রোদে ছায়া দিতো। সরকারি গাছ কাটার সময় নায়েব এসে বাধা দিয়ে কাটা বন্ধ করেছে কিন্তু তারপরও গৌতম কুমার বট বা পাইকড় গাছের কাটা মোটা ডালগুলো বিক্রয় করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে গৌতম কুমারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও রিসিভ হয়নি। একারণে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে