বাঘা পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মামুন এর ব্যাপক গণসংযোগ

0

বাঘা প্রতিনিধি , রাজশাহীঃ রাজশাহীর বাঘায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ মামুন হোসেন ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। মাঠ গোছাচ্ছেন ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে। তিনি গত ৮ নভেম্বর (মঙ্গলবার) একটি বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন।

আগামী ২৯ ডিসেম্বর বাঘা পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন তার নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সকল এলাকায়, হাটে বাজারে সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ করছেন। এছাড়াও সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চারঘাট বাঘা (রাজশাহী- ৬) আসনের মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব মোঃ শাহরিয়ার আলম এমপি, তৃণমূলের নেতা-কর্মী সহ দলের হাই কমান্ডে যোগাযোগ চালাচ্ছেন।

রাজনৈতিক ভাবে মামুন হোসেন সম্পর্কে জানা যায় , মামুন হোসেন ২০০১-২০০৪ ইং বাঘা শাহদৌলা ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০০৩-২০১১ ইং রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সম্মানিত সদস্য, ২০০৪-২০১১ ইং বাঘা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১৪ইং থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও বর্তমানে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য তিনি। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ক্রিড়াবিদ। মামুন হোসেন বাঘা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা কালিন সময়ে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবির
কর্তৃক একাধিক বার প্রান নাশের হুমকি ও হামলার স্বীকার হয়েছেন, বি.এন.পি জামাত জোট সরকারের আমলে ১৮টি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন, অপারেশন ক্লিন হার্ট এর সময় নির্যাতন ও পরিবারের নারী সহ পরিবারের সকল সদস্যেদের উপর অমানবিক নির্যাতন হয়েছে, জামাত, বি.এন.পি জোট সরকারের আমলের পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দীর্ঘ ০৭(সাত) বছর বাড়ি ছাড়া, জামাত বি.এন.পি সরকারের আমলে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়, বি.এন. পি জামাত জোট সরকারের আমলে র‍্যাব বাহিনী গঠন করার পর বার বার তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়, চার দলীয় জোট সরকারের পতনের জন্য আন্দোলন চলাকালীন সময়ে রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের প্রোগ্রামে যোগদান করি এবং প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কলেজিয়েট স্কুলের সামনে ছাত্রদলের সুইট বাহিনীর হামলায় সামনা সামনি হলে সবাই মিলে মারপিট করে এবং এক পর্যায়ে সুইটের হাতে থাকা বন্ধুকের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। সে অজ্ঞান হয়ে গেলে মৃত ভেবে রাজশাহীর মনি চত্বরের পাশের ড্রেনে ফেলে যায়। এরপর রাজশাহী জেলার সহ সভাপতি আমানুল হাসান দুদুর হস্তক্ষেপে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার চিকিৎসা শুরু হয় এবং মাথায় ২৮টি সেলাই লাগে এবং সেখানে ভর্তি হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চিকিৎসা গ্রহন করে। ওয়ান এলিভেন এর সময় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, ডিবি, পুলিশের নির্যাতনে মাঠে ঘাটে, আম বাগানে রাত্রি যাপন করতে হয়েছে, প্রতিদিন নেত্রীর মুক্তির দাবি তে আন্দোলন, মিছিল, মিটিং অব্যাহত রেখেছিলাম , রাজাকার সাঈদীর মামলার রায়ের দিন জামাত শিবির পরিকল্পিত ভাবে মামুন ভাবে তার বড় ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করে চুরি ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। তারপর বাজারের জনগন, দোকানদার এবং কুলি লেবার ও দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগনের সঙ্গে সংঘাত হলে একজন শিবির ক্যাডার নেতা নিহত হয় এবং অনেকে আহত হয়। জামাত মিথ্যা মামলা করে। পরবর্তিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব চিকিৎসা তহবিল হইতে ৭০,০০০/- টাকা আমাদেরকে চিকিৎসার জন্য প্রদান করা হয়। ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের আগে জামাত ও বি.এন.পির সন্ত্রাসী বাহিনীরা তার বাড়ি ঘিরাও করে ককটেল পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে এবং বাড়ির দরজা জানালার গ্লাস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ যাবতীয় ভাংচুর ও লুটপাট করে। জামাত বিএনপি সরকারের সময়ে প্রয়াত নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল জলিল সাহেব জামাত বিএনপি জোট সরকারের পতনের আল্টিমেটাম দিলে ঐদিন রাতে পুলিশি অভিযানে সে সহ তার ১৩জন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা গ্রেপ্তার হই এবং তাকে ১নং
আসামী করা হয়। থানা হাজতে পার্শ্ববিকও অমানসিক নির্যাতনের স্বীকার হয় ও ১৮ দিন যাবৎ কারা বরণ করতে হয়।

এদিকে মামুন হোসেন বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশ গ্রহণ করেন। সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, এতিমখানায় প্রতি বছর অনুদান , বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এবং তরুন সমাজের মাঝে খেলাধুলার বিভিন্ন সামগ্রি, বিভিন্ন গরিব, দুঃখী, দুঃস্থ মানুষের ছেলে মেয়েদের বিবাহের জন্য আর্থিক সহযোগীতা, গরিব দুঃখী অসহায় রোগীদের জন্য চিকিৎসা বাবদ নগদ অর্থ নিজ তহবিল হইতে, বাঘা উপজেলা সহ লালপুর, গোপালপুর, পুঠিয়া উপজেলার বেকার যুবকদের মৎস্য চাষে
উৎসাহিত করা, প্রশিক্ষন দেওয়া ও নিজ প্রতিষ্ঠানে কাজের ব্যবস্থা করা, সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে প্রতি বছর শাড়ি, লুঙ্গি ও শীতের সময় শীতের বস্ত্র বিতরণ, লক ডাউন চলাকালীন সময়ে জননেত্রীর নির্দেশনাক্রমে নিম্নবৃত্ত, মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সহ খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ এবং মাস্ক ও সেনিটাইজার সরবরাহ, বিভিন্ন মসজিদ ও মাদ্রাসার ধর্মপ্রান মুসল্লিদের ব্যবহারের জন্য সাবান, হেন্ড ওয়াশ, হেন্ড
সেনিটাইজার বিতরণ করেছেন তিনি।

বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র প্রার্থী মোঃ মামুন হোসেন জানান, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করি। আমি আমার জীবন দশায় কোনদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তের বাইরে যাইনি। বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের নেতা কর্মীদের নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এবার পৌরসভা নির্বাচ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে