তানোর আওয়ামী লীগে চরম উত্তেজনা

0

 

তানোর প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী, সম্পাদক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র ইমরুল হকের বিরুদ্ধে নেতা ও কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে বিরাজ করছে বিস্ফোরণমুখ পরিস্থিতি। যেকোনো সময় বড় ধরণের গণপিটুনির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা শঙ্কিত
সুত্র জানায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে না পেয়ে, দলের বিপদগামী এই তিন নেতার কু-পরামর্শে বগী (অ্যাকাম্যা) নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগের অত্যন্ত সম্ভবনাময় গোছানো ভোটের মাঠ নষ্ট করছে।
তারা দলের দায়িত্বশীল পদে থেকে সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের দায়িত্ব ছিল বিদ্রোহীদের ঠেকানো, অথচ তারাই বিদ্রোহী প্রার্থী দিয়েছে দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিক নৌকার বিরুদ্ধে। আর তানোর পৌরসভা কার্যালয়ে বসে মেয়রের নেতৃত্বে
এসব পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের খবর ছড়িয়ে পড়লে তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এসব বিক্ষুব্ধ নেতা ও কর্মী-সমর্থকরা যেকোনো সময় কথিত বিদ্রোহীদের গণপিটুনি দিতে পারে। তাদের অভিমত কে মনোনয়ন পেয়েছে সেটা বিবেচ্য নয়, বিবেচ্য হলো প্রতিক নৌকা,কারণ নৌকার পরাজয় মানে আওয়ামী লীগ বা প্রধানমন্ত্রীর পরাজয়, তারা এটা কখানো মেনে নিতে পারেন না, তারা যেকোনো মুল্য নৌকার বিজয় দেখতে চাই।
তৃণমুলের নেতাকর্মীরা বলছে, এরা কথিত গণসংযোগের নামে তৃণমুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আবার কেউ কেউ বলছে বিপদগামীদের মদদে আওয়ামী বিরোধীদের কাছে থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে এরা তাদের বি-টিম হয়ে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃস্টির পাঁয়তারা করছে। কারণ হিসেবে তারা বলছে, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে বিজয়ী হতে গেলে প্রার্থীর যে ধরণের জনসমর্থন, কর্মী বাহিনী, আর্থিক স্বচ্ছলতা ইত্যাদি প্রয়োজন তা তাদের নাই। তাহলে তারা কি বিবেচনায় স্বতন্ত্রের আড়ালে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে বিজয়ের প্রত্যাশা করছে।এতে তো বেগুনের চেয়ে বিঁচি বড় সেই প্রবাদকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, এরা নিজেরাও জানেন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্দীতা করার মতো সক্ষমতা তাদের নাই, প্রার্থী হবার বগী আওয়াজ দিয়ে নিজ দলের প্রতিপক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তাকে বসে আনা, আবার প্রত্যাহার করে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দলে কোন্দল সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।এবিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে